পেট্রোবাংলার স্বাগতম
 
 
পেট্রোবাংলা
 

২৬ মার্চ, ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৭ এর মাধ্যমে দেশের তেল, গ্যাস খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ খনিজ, তেল গ্যাস করপোরেশন (বিএমওজিসি) গঠিত হয় ১৯৭২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১২০ এর মাধ্যমে দেশের খনিজ অনুসন্ধান উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যেবাংলাদেশ খনিজ অনুসন্ধান উন্নয়ন করপোরেশন (বিএমইডিসি) নামে অপর একটি সংস্থা গঠন করা হয় বাংলাদেশ খনিজ, তৈল গ্যাস করপোরেশন (বিএমওজিসি)-কে বাংলাদেশ তৈল গ্যাস করপোরেশন (বিওজিসি) নামে পুনর্গঠন করা হয় এবং ১৯৭৪ সালের ২২ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১৫ এর মাধ্যমে বিওজিসিকেপেট্রোবাংলা নামে সংক্ষিপ্ত নামকরণ করা হয় ১৯৭৪ সালের ১৭ নং অধ্যাদেশ-এর মাধ্যমে অয়েল এন্ড গ্যাস ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১-কে বাতিল করে অয়েল এন্ড গ্যাস ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন (ওজিডিসি) বিলুপ্ত করা হয় এবং উহার সম্পদ দায় পেট্রোবাংলা উপর ন্যস্ত করা হয় ১৯৭৬ সালের ১৩ নভেম্বর জারিকৃত অধ্যাদেশ নং ৮৮ এর মাধ্যমে নবগঠিত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে অপরিশোধিত তেল পেট্রোলিয়াম দ্রব্যাদি আমদানি, পরিশোধন বিপণন কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব প্রদান করা হয়

১৯৮৫ সালের ১১ এপ্রিল জারিকৃত ২১ নং অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিওজিসি বিএমইডিসিকে একীভূত করে বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস খনিজ ¤পদ করপোরেশন (বিওজিএমসি) গঠন করা হয় অতঃপর উক্ত অধ্যাদেশের আংশিক সংশোধনক্রমে ১৯৮৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি জারিকৃত ১১ নং আইন এর মাধ্যমে এই করপোরেশনকেপেট্রোবাংলা নামে সংক্ষিপ্ত নামকরণ করা হয় এবং তৈল, গ্যাস খনিজ অনুসন্ধান উন্নয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত কোম্পানিসমূহের শেয়ার ধারণের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়

 

পেট্রোবাংলার ইতিহাস
 

১৯৪৭ এর পূর্বেঃ

বাংলাদেশ ভূখন্ডে তৈল গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম বিচ্ছিন্ন ভূ-তাত্ত্বিক ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে উনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে শুরু হয়। ১৯০৮ সালে সীতাকুন্ডে ইন্ডিয়ান পেট্রোলিয়াম প্রসপেক্টিং কোম্পানী তৈল গ্যাস পাওয়ার জন্য প্রথম ঐকান্তিক প্রচেষ্টা গ্রহণ করে এবং ১৮ বছর পর দিগবয় (Digboi), আসামে প্রথম তৈল ক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়। ১৯২৩-৩১ সময়ে বার্মা অয়েল কোম্পানী (বিঅসি) পাথারিয়াতে ২টি অগভীর কূপ খনন করে। প্রতিবেদন অনুযায়ী তৈলের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও কূপ ২টি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। সেখানে মোট ৬টি অনুসন্ধান কূপ খনন করা হয়, তন্মধ্যে গভীরতমটি ছিল ১০৪৭ মিটার। মোটকথা, তখন কোন কিছু আবিস্কৃত হয়নি এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিষয়ে পুন:কার্যক্রম গ্রহন বাধাগ্রস্ত করে।

অন্তবর্তী সময়: ১৯৪৮ হতে ১৯৭১

১৯৪৮ সালে পেট্রোলিয়াম আইন জারী করায় তা তৈল গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক তৈল কোম্পানিগুলোর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। যুক্তরাষ্ট্রের ষ্টান্ডার্ড ভ্যাকুয়াম অয়েল কোম্পানি (এসটিএএনভিএসি), পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম লিঃ (পিপিএল) বার্মা অয়েল কোম্পানি এবং পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি (পিএসওসি) ষাটের দশকের শেষ পর্যন্ত অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসটিএএনভিএসি দেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের হাজিপুর, বগুড়া কুচমাতে ৩টি কূপ খনন করলেও কোন সফলতা পায়নি। পিপিএল হরিপুর, পাথারিয়া, ছাতক, ফেঞ্চুগঞ্জ, পটিয়া লালমাইতে কূপ খনন করে এবং ১৯৫৫ সালে প্রথমে হরিপুরে, পরবর্তীতে ১৯৫৯ সালে ছাতকে গ্যাস আবিস্কার করে। তারাই প্রথম সমুদ্রাঞ্চল (Offshore) কক্সবাজারে কূপ খনন করে, যদিও তা শুষ্ক (Dry) ছিল।


১৯৬১ সালে অয়েল এন্ড গ্যাস ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন (অজিডিসি) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে তৈল গ্যাস অনুসন্ধান একটি প্রতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। ওজিডিস গ্র্যাভিটি, ম্যাগনোটিক সাইসমিক ধরণের ভূতাত্ত্বিক জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন করে এবং জলদি সেমুতাং-এ কূপ খনন করে ১৯৭০ সালে সেমুতাং-এ গ্যাস আবিস্কার করে।

সামনে এগিয়ে চলা: ১৯৭২ হতে ১৯৭৯

বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর যুগপৎসাথে দেশী বিদেশী কোম্পানী সমূহের অনুসন্ধান কার্যক্রমে গতি সঞ্চারিত হয়। ১৯৭৪ সালে যখন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন পাসের মাধ্যমে প্রডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাকের (পিএসসি) আওতায় বিদেশীদের অংশগ্রহণ সহজতর করা হয়, তখনও বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এর অনুসন্ধান প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখে। পিএসসি’র আওতায় বাংলাদেশের সমুদ্রাঞ্চলকে ৬টি ব্লকে বিভক্ত করা হয়, যেগুলো অশল্যান্ড (Ashland), আরকো (ARCO), বিওডিসি (জাপেক্স)(BODC (Japex), ইউনিয়ন অয়েল, কানাডিয়ান সুপিরিয়র অয়েল ইনা নাফটাপ্লিন (Ina Naftaplin) গ্রহণ করে। কোম্পানিগুলো গ্রাভিটি, ম্যাগানটিক সাইসমিক জরিপ (প্রায় ৩২,০০০ কি.মি.) সম্পন্ন করে এবং ৭টি কূপ খনন করে। তন্মধ্যে কেবল ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৭ সালে সমুদ্রাঞ্চল কুতুবদিয়াতে একটি গ্যাস ক্ষেত্র আবিস্কার করে। ১৯৭৮ সালে পিএসসি অপারেটরগণ ব্লক ছেড়ে দেয়ায় পর্যায়ের পিএসসি কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটে। ১৯৭৫ সালের আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার বৃটিশ কোম্পানী, শেল পেট্রোলিয়াম কোম্পানি লিমিটেড এর মালিকানাধীন ৫টি গ্যাস ক্ষেত্র যথা: তিতাস, হবিগঞ্জ, রশিদপুর, কৈলাশটিলা বাখরাবাদ নামমাত্র ৪.৫ মিলিয়ন পাউন্ড ষ্টার্লিংয়ে ক্রয় করে। তৎকালীন সরকারের সুদূর প্রসারী সিদ্ধান্তের ফলে প্রধান গ্যাসক্ষেত্রগুলোর ওপর রাষ্ট্রের একক মালিকানা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার ভিত রচিত হয়।    

গতি সঞ্চালন : ১৯৮০ পরবর্তী সময়

১৯৮০’র দশক পেট্রোবাংলার গতিশীল অনুসন্ধান কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করে। সময়ে মূলাদী, বেগমগঞ্জ, সিংরা, বিয়ানীবাজার, আটগ্রাম, ফেণী, ফেঞ্চুগঞ্জ, সীতাকুন্ড, বগুড়া, কামতা, মরিচাকান্দি (মেঘনা) ও বেলাবো’তে (নরসিংদী) ১২টি অনুসন্ধান কূপ খনন করা হয় এবং বেগমগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, ফেণী, ফেঞ্চুগঞ্জ, কামতা, মরিচাকান্দি (মেঘনা) ও বেলাবোতে (নরসিংদী) ৭টি গ্যাস ক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়। তন্মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জ-২ হচ্ছে যাবৎ বাংলাদেশে খননকৃত (৪,৯৭৭ কি.মি.) গভীরতম কূপ। ইত্যবসরে একটি  নতুন মাইলফলক অর্জিত হয় যখন পেট্রোবাংলা ১৯৮৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর সিলেট নং-৭ প্রথম বাণিজ্যিক তৈল আধার আবিস্কার করে। ১৯৮৯ সালে প্রথমে জাতীয় অনুসন্ধান কোম্পানী এবং পরবর্তীতে অনুসন্ধান উৎপাদন কোম্পানী হিসেবে বাপেক্স গঠনের পর হতে কোম্পানিটি এর অনুসন্ধান উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে এবং ৪টি অনুসন্ধান কূপ খনন করে শাহবাজপুর, সালদানদী, শ্রীকাইল সুন্দলপুর গ্যাস ক্ষেত্র আবিস্কার করেছে।

১৯৮১ সালে পিএসসির আওতায় শেল অয়েল কোম্পানীকে (শেল) চট্টগ্রামের পাহাড়ী এলাকায় পেট্রোলিয়াম অনুসন্ধানের জন্য বরাদ্দ  দেয়া হয়। শেল সেখানে ভূ-তাত্ত্বিক সাইসমিক জরিপ কাজ পরিচালনা করে এবং সীতাপাহাড় কূপ খনন করে যা শুষ্ক  ছিল। পরবর্তীতে শেল দেশের সর্ব উত্তর পশ্চিমে অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং <

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী


উপদেষ্টা

প্রতিমন্ত্রী

সচিব

 
দরপত্র ও প্রকিউমেন্ট
প্রজেক্ট কার্যক্রমের ম্যাপ
 
শিরোনাম বিজ্ঞপ্তি বন্ধের তারিখ (DD.MM.YY) শুদ্ধিপত্র ডাউনলোড
দরপত্র বিজ্ঞপ্তি-বাপেক্স বাপেক্স কর্মকর্তাদের জন্য যানবহন ভাড়ার দরপত্র ০৮.০১.১৯ - - ডাউনলোড
দরপত্র বিজ্ঞপ্তি-জিটিসিএল গ্যাস কম্প্রেসর স্টেশন এর রক্ষণাবেক্ষন কাজের দরপত্র ১০.০১.১৯ - - ডাউনলোড
দরপত্র বিজ্ঞপ্তি-বিজিডিসিএল নির্মানের দরপত্র ১৩.১২.১২ - - ডাউনলোড
দরপত্র বিজ্ঞপ্তি-বিজিডিসিএল ক্যাথডিক প্রটেকশন ম্যাটেরিয়াল ক্রয় ০৯.০১.১৯ - - ডাউনলোড
শিরোনাম বিজ্ঞপ্তি বন্ধের তারিখ শুদ্ধিপত্র ডাউনলোড
আন্তর্জাতিক দরপত্র বিজ্ঞপ্তি-এসজিসিএল ডিজাইন, ক্রয় এবং অন্যান্য বিষয়ক দরপত্র ২৩.০১.১৯ - - ডাউনলোড
আন্তর্জাতিক দরপত্র বিজ্ঞপ্তি-বিজিডিসিএল টারবাইন গ্যাস মিটার ক্রয়ের দরপত্র ৩১.১২.১৮ - - ডাউনলোড
আন্তর্জাতিক দরপত্র বিজ্ঞপ্তি-বিজিএফসিএল সিলিং কমপাউন্ড ও অন্যান্য বিষয়ক দরপত্র ১৩.১২.১৮ - - ডাউনলোড
আন্তর্জাতিক দরপত্র বিজ্ঞপ্তি-বিজিএফসিএল প্রকিউরমেন্ট, সাপ্লাই, ইন্সটলেশন এবং অন্যান্য ২২.০১.১৯ - - ডাউনলোড
 
 
পেট্রোবাংলার কোম্পানিসমূহ
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

পেট্রোবাংলা
 
 
আমাদেরকে অনুসরণ করুন
 
যোগাযোগ করুন
 
পেট্রোসেন্টার, ৩ কাওরানবাজার বা/এ
ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +৮৮০ ২ ৮১৮৯৯২৯
+৮৮০ ২ ৮১৮৯৯৫৫ (আইটি)
ফ্যাক্সঃ +৮৮০ ২ ৯১২০২২৪
ইমেইলঃ info@petrobangla.org.bd
 
 
হিট গণনা
 
কপিরাইট @ পেট্রোবাংলা. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.
সর্বশেষ আপডেট: ১০-১২-২০১৮ ০৩:১৬অপরাহ্ন
ওয়েবসাইট@এলটুএন.টীম দ্বারা পরিচালিত